বেইজিং সময় ২৩ জুলাই হিউস্টন রকেটস ওকলাহোমা সিটি থান্ডার থেকে চিপ ইংল্যান্ডকে নিয়েছে। নতুন মৌসুমে রকেটসের শুটিং উন্নত করার গুরুদায়িত্ব থাকবে তাঁর ওপর। দলটি আশা করছে, খেলোয়াড়ভেদে তাঁর প্রশিক্ষণ আমেন থম্পসন ও আলপেরেন শেঙ্গুনের মতো তরুণদের রূপান্তরে সহায়তা করবে। এই দৃষ্টিকোণ থেকে ইংল্যান্ডকে নেওয়াই হয়তো রকেটসের অফসিজনের সবচেয়ে বড় শক্তিবৃদ্ধি।

বহু বছর ধরে প্রচারের আলো থেকে দূরে একের পর এক খেলোয়াড়কে গড়ে তুলে ইংল্যান্ড ‘শুটিং ডাক্তার’ খ্যাতি অর্জন করেছেন। ডেট্রয়েট, ডেনভার, সান আন্তোনিও ও ওকলাহোমা সিটিতে নিজের ছাপ রেখে তিনি স্পার্স ও থান্ডারের শিরোপা জয়ের নেপথ্যের কারিগর হয়েছেন।
২০১৩/১৪ থেকে ২০২১/২২ মৌসুম পর্যন্ত স্পার্স ৬ মৌসুমে ক্যাচ-অ্যান্ড-শুট সফলতার হারে লিগের শীর্ষ ১০-এ ছিল, যার মধ্যে ৩ মৌসুমে ছিল ১ নম্বরে। ৮ মৌসুমে পুল-আপ শটের সফলতার হারে তারা শীর্ষ ১০-এ ছিল, যার মধ্যে ৫ মৌসুমে স্থান ছিল শীর্ষ ৩-এ।
২০২২ সালে থান্ডার ইংল্যান্ডকে নিয়ে আসে। তাঁর যোগদানের আগে দলটি তিন পয়েন্ট ও ক্যাচ-অ্যান্ড-শুট সফলতার হারে সবার নিচে এবং পুল-আপ শটের নির্ভুলতায় ২৫তম ছিল। পরের ৪ মৌসুমের মধ্যে ৩টিতে থান্ডার তিন পয়েন্ট সফলতার হারে শীর্ষ ১০-এ ওঠে, ২ মৌসুমে ক্যাচ-অ্যান্ড-শুট নির্ভুলতায় শীর্ষ ৩-এ থাকে এবং প্রতিটি মৌসুমেই পুল-আপ শটের নির্ভুলতায় শীর্ষ ৫-এ স্থান পায়।
ব্যক্তিগতভাবে শাই গিলজিয়াস-আলেকজান্ডার, লুগুয়েন্টজ ডর্ট, জেলেন উইলিয়ামস ও চেট হোমগ্রেনের মতো শিরোপাজয়ী খেলোয়াড়রা ব্যাপক উন্নতি করেছেন। দল ছেড়ে পরে শিকাগো বুলসের সঙ্গে ৪ বছর ও ১০ কোটি ডলারের বড় চুক্তি করা জশ গিডির উন্নতিও ইংল্যান্ডের নিবিড় প্রশিক্ষণ ছাড়া সম্ভব হতো না।
ইংল্যান্ডের প্রায় নিখুঁত জীবনবৃত্তান্তই রকেটসের তাঁকে গুরুত্ব দেওয়ার প্রধান কারণ। বর্তমান রকেটস সহকারী কোচ বেন সুলিভানের মতো তিনিও স্পার্সে রকেটসের প্রধান কোচ ইমে উডোকার সঙ্গে কাজ করেছেন। উডোকার সুপারিশেই সুলিভান স্পার্সে যোগ দিয়ে ইংল্যান্ডের অধীনে ইন্টার্ন হিসেবে শুরু করেছিলেন এবং ধাপে ধাপে আজকের অবস্থানে পৌঁছেছেন।
